Prevention is better than cure. বিষয়টা হলো প্রতিরোধের চেয়ে নিরাময়টা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।আমরা বাঙ্গালীরা খুবই অলসতা করি শরীরের স্বাস্থ্য বিষয়টা নিয়ে। যদিও বলা হয় স্বাস্থ্যই সকল সুখের মুল।কিন্তু এটার গুরুত্ব আমাদের কাছে নেই বললেই চলে। কতজন মানুষ নিজ উদ্যোগে সুস্থ থাকা অবস্হায় হসপিটাল/ডাক্তারের কাছে যান? খুব কম লোকেরাই যান আর যারা অসুস্থ হয়ে এমন সময় যান,যখন আর ভালো কিছু করার থাকে না, তখন নিরাময় না করে প্রতিরোধের জন্য মেডিসিন খেতে খেতে জীবন পার হয়ে যায়। অথচ যখন দেশের বাইরে ছিলাম ( Study purpose) এ তখন আমাদের প্রতি বছর সমস্ত শরীর চেক করতো এমনকি সাইকোলজিস্ট ডাক্তারদের কেও দেখানো লাগতো! তাই আপনাদের উদ্দেশ্য কিছু পরামর্শ,পারলে নিচের দেওয়া কিছু টেস্ট করবেন,আপনার শরীরটা কেমন আছে তা জানতে পারবেন…
•CBC ( complete blood count)
শরীরে রক্তের কোন সমস্যা থাকলে জানতে পারবেন।
•Fasting lipid profile
হার্টের কোন সমস্যা থাকলে জানতে পারবেন।
•LFT (Liver function test)
লিভারে কোন সমস্যা থাকলে জানতে পারবেন।
•S.creatinine
কিডনিতে কোন সমস্যা থাকলে জানতে পারবেন।
•Urine R/M/E
প্রসাবে কোন সমস্যা থাকলে জানতে পারবেন।
•USG of W/A (ultrasound of whole abdomen)
পেটের মধ্যে কোন সমস্যা থাকলে জানতে পারবেন।
•RBS (Random blood sugar) শরীরে ডায়াবেটিক থাকলে জানতে পারবেন( যদিও ডায়াবেয়েটিক confirm Diagnosis করার ক্ষেত্রে RBS টেস্ট যথেষ্ট নয়।)
•Check your Blood Pressure Regularly.
•পাশাপাশি একটা ECG & chest X-Ray ও করাতে পারেন।
উপরের টেস্টগুলো যারা সুস্থ বা স্বাভাবিক আছেন তারা করতে পারেন বা করা দরকার।এই টেস্টগুলোর মাধ্যমে যে সব, রোগ ধরা পড়ে যাবে বিষয়টা এমন না, কিন্তু আপনি সুস্থ আছেন কি না সেটা জানতে পারবেন।টেস্টের রিপোর্ট গুলো বিএমডিসি রেজিঃ প্রাপ্ত একজন ডা. কে দেখাবেন।
যাচাই করা ডাক্তারদের স্বাস্থ্য পরামর্শ
আমি ডাক্তার
আমি পরামর্শ নিতে চাই
লগইন
সাম্প্রতিক পরামর্শ
Always prioritize your body first. Health is the ultimate wealth.
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Kibria kadir। আমি এখানে নিয়মিত Medicine & Diabetic বিষয়ে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
ডায়াবেটিস রোগির সাধারন খাবার :
✅ বেশি/নিয়মিত খেতে পারেন
🥬 সবুজ শাকসবজি, লাউ, ঝিঙে, পটল, করলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি
🥒 শসা, টমেটো, গাজর — পরিমিত
🐟 মাছ — ভাজা না করে ঝোল/গ্রিল
🍗 চামড়া ছাড়া মুরগি
🥚 ডিম
🫘 ডাল, ছোলা, মটর — পরিমিত
🥜 বাদাম — অল্প পরিমাণে
🥛 চিনি ছাড়া দুধ/টক দই
🍚 পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে
ভাত — পরিমাণ কমিয়ে, সম্ভব হলে লাল/ব্রাউন চাল
আটার রুটি
আলু/মিষ্টি আলু
ফল — দিনে ১–২ পরিবেশন; যেমন পেয়ারা, আপেল, কমলা, পেঁপে
❌ এড়িয়ে চলুন/যতটা সম্ভব কমান
চিনি, মিষ্টি, মিষ্টি পানীয়/কোমল পানীয়
মিষ্টি দই, আইসক্রিম
জুস—even “ফ্রেশ” ফলের জুস
কেক, বিস্কুট, পেস্ট্রি
অতিরিক্ত সাদা ভাত
পরোটা, পুরি, সিঙ্গারা, সমুচা
অতিরিক্ত ভাজাপোড়া
মূলনীতি: প্লেটের ½ অংশ সবজি + ¼ অংশ প্রোটিন (মাছ/মাংস/ডিম) + ¼ অংশ ভাত/রুটি রাখলে সহজে খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
সুস্থ জীবন, সুন্দর জীবন
স্বাস্থ্যই মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। সুস্থ থাকতে হলে শুধু রোগমুক্ত থাকাই যথেষ্ট নয়; শারীরিক ও মানসিক—উভয় দিক থেকেই ভালো থাকা জরুরি।
প্রতিদিন পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং পর্যাপ্ত ঘুম সুস্থ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অতিরিক্ত তেল-চর্বি, চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, ডিম ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।
এর পাশাপাশি মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে—রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ অনেক বেশি কার্যকর।
সচেতনতা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়াম—এই তিনটি হতে পারে সুস্থ জীবনের শক্ত ভিত্তি।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. মোহাম্মদ আরমানুর রহমান
এম.বি.বি.এস (সিউ), সিসিডি - ডায়বেটোলোজি (বারডেম),
এমসিজিপি, জিপি-ডিওসি (ডার্মাটোলজি),
পিজিটি - মেডিসিন (ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল)
মেডিসিন, ডায়বেটিস, বাত-ব্যাথা, চুল পড়া, চর্ম ও যৌন রোগে অভিজ্ঞ।
আমি একজন নিবন্ধিত ও অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকি। ব্যস্ত সময়, দূরবর্তী অবস্থান কিংবা জটিল পরিবেশ—যেখানেই থাকুন না কেন, আপনি ঘরে বসেই আমার থেকে চিকিৎসা নিতে পারবেন। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
🔹 বিশেষ অভিজ্ঞতা:
✔️ মেডিসিন (জ্বর, সিজনাল ফ্লু, শ্বাস কষ্ট, পেটের সমস্যা ইত্যাদি)
✔️ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
✔️ চর্মরোগ (Acne, Eczema, ফাঙ্গাল ইনফেকশন ইত্যাদি)
✔️ ব্যথা ব্যবস্থাপনা (ঘাড়/পিঠ/হাঁটুর ব্যথা, মাইগ্রেন ইত্যাদি)
✔️ চুল পড়া ও চুলের বিভিন্ন রকমের সমস্যা
✔️ নখের সমস্যা (Paronychia, Onychomycosis ইত্যাদি)
💬 রোগী ও তার সমস্যার প্রতি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েই পরামর্শ প্রদান করি। চিকিৎসা আমার কাছে শুধু পেশা নয়, এটি এক ধরনের দায়িত্ব।
Fb: মোহাম্মদ আরমানুর রহমান
—আপনার পাশে আমি আছি।
যেসব রোগীরা বাচ্চা নিতে চাচ্ছেন এবং তাদের স্বামী প্রবাসী তারা অবশ্যই স্বামী দেশে ফিরার আগে থেকেই একজন গাইনী ডাক্তার এর পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ।
প্রতিদিন নিয়মিত সকালে এবং বিকালে ৩০ মিনিট করে হাঁটার অভ্যাস করুন। তাহলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. B N Karmakar। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. NARISA AHMED। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
স্বাস্থ্যসেবা শুধু চিকিৎসা নয়—
এটি মানুষের পাশে থাকার, সচেতনতা তৈরি করার এবং সুস্থ জীবনের পথে এগিয়ে দেওয়ার একটি দায়িত্ব। 🩺💙
Stay healthy, stay informed.
— Dr. Umma Habiba
Dr. Sornaly Akter Joty
MBBS, FCPS (Gastroenterology (Part-1)) • জেনারেল ফিজিশিয়ান
কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ
🦠 আপনার পেটের ভেতরেও একটা “শহর” আছে!
আমাদের অন্ত্রে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন অণুজীব বাস করে—যাদের বলা হয় Gut Microbiota।
এরা শুধু হজমেই সাহায্য করে না, আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও জড়িত।
তাই Gut health ভালো রাখতে—
🥗 আঁশযুক্ত খাবার খান
💧 পর্যাপ্ত পানি পান করুন
🥤 অতিরিক্ত processed food ও sugary drinks কমান
💊 প্রয়োজন ছাড়া antibiotic খাবেন না
পেটকে ভালো রাখুন—শরীরও আপনাকে ধন্যবাদ দেবে! 💚
সিজনাল ফ্লু এবং জ্বর
আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় ফ্লু বা ভাইরাল ইনফেকশনে জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পানি ও তরল খাবার এবং প্রয়োজনে জ্বর কমানোর ওষুধে ভালো হয়ে যায়।
ফ্লু ছড়ানো কমাতে নিয়মিত হাত ধোয়া, কাশি-হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা, অসুস্থ অবস্থায় অন্যদের থেকে কিছুটা দূরে থাকা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
তবে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব, পানিশূন্যতা বা দীর্ঘদিন জ্বর থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করবেন না—কারণ সাধারণ ফ্লু ভাইরাসজনিত এবং অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না।
সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন। ধন্যবাদ!
প্রতিদিনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম
💧 পানি: সাধারণভাবে ৬–৮ গ্লাস বা তৃষ্ণা অনুযায়ী।
🥗 প্রতিদিন পর্যাপ্ত শাকসবজি ও ফল রাখুন।
🐟 মাছ, ডিম, ডাল, মুরগি—এসব থেকে প্রোটিন নিন।
🍟 ভাজাপোড়া, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত মিষ্টি ও ফাস্টফুড কমান।
🧂 অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।
🍚 ভাত একেবারে বাদ দেওয়ার দরকার নেই—পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই গুরুত্বপূর্ণ।
🚶 খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন সম্ভব হলে ৩০ মিনিট হাঁটা ভালো অভ্যাস।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Shihab Ahmed Rafi। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
“সুস্থ থাকতে সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।”
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Moyeen Al Razi। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
ডেঙ্গু মৌসুমে সচেতন হোন, মশারী ব্যবহার করুন,
গায়ে বা মাথায় ব্যথা এবং উচ্চমাত্রার জ্বরে দ্রুত চিকিৎসকের দ্বারস্থ হোন।
বাড়িতে বসে মাড়ির যত্ন: সুস্থ হাসির প্রথম ধাপ
মুখের সৌন্দর্য মানেই ঝকঝকে দাঁত না। মাড়ি সুস্থ না থাকলে দাঁতও বেশিদিন টিকবে না। বাংলাদেশে প্রতি ৩ জনের ২ জনেরই কোনো না কোনো মাড়ির সমস্যা আছে। অথচ বাড়িতে বসেই খুব সহজে মাড়িকে সুস্থ রাখা যায়।
১. সঠিকভাবে ব্রাশ করা - দিনে ২ বার*
অনেকেই জোরে ঘষে ব্রাশ করি, এটা ভুল। নরম ব্রিসলের ব্রাশ দিয়ে ৪৫ ডিগ্রি কোণে মাড়ি আর দাঁতের সংযোগস্থলে আলতো করে বৃত্তাকারে ঘষুন। দিনে ২ বার, প্রতিবার ২ মিনিট। শক্ত ব্রাশ মাড়ি ক্ষয় করে দেয়।
২. ফ্লস করা - এটা বাদ দেওয়া যাবে না*
ব্রাশ দাঁতের ফাঁকের ময়লা ৪০% পরিষ্কার করতে পারে না। সেখানেই প্লাক জমে মাড়ি ফুলে যায়, রক্ত পড়ে। রাতে ঘুমানোর আগে একবার ফ্লস করুন। প্রথমে রক্ত পড়লেও ১ সপ্তাহ করলে বন্ধ হয়ে যাবে।
৩. লবণ-পানি দিয়ে কুলকুচি*
সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর ঘরোয়া টোটকা। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে দিনে ২ বার কুলকুচি করুন। এটা মাড়ির জীবাণু মারে, ফোলা কমায়। বিশেষ করে মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে এটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
৪. ধূমপান আর পান-সুপারি ছাড়ুন*
মাড়ি নষ্টের সবচেয়ে বড় কারণ এগুলো। সিগারেট মাড়ির রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। তাই মাড়ি দুর্বল হয়ে যায়, দাঁত নড়ে যায়।
৫. ভিটামিন সি আর পানি*
কমলা, লেবু, পেয়ারা, আমলকি - ভিটামিন সি মাড়ির কোলাজেন তৈরি করে। আর দিনে ২-৩ লিটার পানি খান। পানি লালা তৈরি করে যা মুখের ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে দেয়। চিনি আর আঠালো খাবার কম খান।
৬. জিহ্বা পরিষ্কার করা*
জিহ্বার উপরেও প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জমে। ব্রাশ করার সময় জিহ্বাও আলতো করে পরিষ্কার করুন। এতে মুখের দুর্গন্ধও কমবে।
কখন ডেন্টিস্টের কাছে যাবেন?
বাড়ির যত্ন ২ সপ্তাহ করার পরেও যদি নিচের লক্ষণ থাকে, তাহলে আর দেরি করবেন না:
1. ব্রাশ করলেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া
2. মাড়ি লাল, ফোলা বা দাঁত থেকে সরে যাওয়া
3. মুখে সবসময় দুর্গন্ধ
4. দাঁত নড়ে যাওয়া বা চিবাতে ব্যথা
মনে রাখবেন, মাড়ির রোগ একবার হলে পুরোপুরি ভালো হয় না, শুধু নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই প্রতিরোধই সেরা চিকিৎসা।
ডা: সানিয়াত তূর্য্য
কিশোরগঞ্জ থেকে
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Hasan Al Banna। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।