হ্যালোডক্টর
Saniyet Turja

Dr. Saniyet Turja

BDS, PGT • দন্ত চিকিৎসা

কিশোরগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জ

বি.এম এন্ড ডি.সি রেজিস্ট্রার্ড এবং ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডেন্টাল সার্জন

সিরিয়াল দিন

ফলো করতে যুক্ত হোন
ফলোয়ার
0
তথ্য আপডেট
৭ দিন আগে

রোগীরা এই প্রোফাইলটি ৪ বার দেখেছেন

পরামর্শ (3)

Dr. Saniyet Turja
BDS • দন্ত চিকিৎসা
কিশোরগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জ
বাড়িতে বসে মাড়ির যত্ন: সুস্থ হাসির প্রথম ধাপ মুখের সৌন্দর্য মানেই ঝকঝকে দাঁত না। মাড়ি সুস্থ না থাকলে দাঁতও বেশিদিন টিকবে না। বাংলাদেশে প্রতি ৩ জনের ২ জনেরই কোনো না কোনো মাড়ির সমস্যা আছে। অথচ বাড়িতে বসেই খুব সহজে মাড়িকে সুস্থ রাখা যায়। ১. সঠিকভাবে ব্রাশ করা - দিনে ২ বার* অনেকেই জোরে ঘষে ব্রাশ করি, এটা ভুল। নরম ব্রিসলের ব্রাশ দিয়ে ৪৫ ডিগ্রি কোণে মাড়ি আর দাঁতের সংযোগস্থলে আলতো করে বৃত্তাকারে ঘষুন। দিনে ২ বার, প্রতিবার ২ মিনিট। শক্ত ব্রাশ মাড়ি ক্ষয় করে দেয়। ২. ফ্লস করা - এটা বাদ দেওয়া যাবে না* ব্রাশ দাঁতের ফাঁকের ময়লা ৪০% পরিষ্কার করতে পারে না। সেখানেই প্লাক জমে মাড়ি ফুলে যায়, রক্ত পড়ে। রাতে ঘুমানোর আগে একবার ফ্লস করুন। প্রথমে রক্ত পড়লেও ১ সপ্তাহ করলে বন্ধ হয়ে যাবে। ৩. লবণ-পানি দিয়ে কুলকুচি* সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর ঘরোয়া টোটকা। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে দিনে ২ বার কুলকুচি করুন। এটা মাড়ির জীবাণু মারে, ফোলা কমায়। বিশেষ করে মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে এটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। ৪. ধূমপান আর পান-সুপারি ছাড়ুন* মাড়ি নষ্টের সবচেয়ে বড় কারণ এগুলো। সিগারেট মাড়ির রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। তাই মাড়ি দুর্বল হয়ে যায়, দাঁত নড়ে যায়। ৫. ভিটামিন সি আর পানি* কমলা, লেবু, পেয়ারা, আমলকি - ভিটামিন সি মাড়ির কোলাজেন তৈরি করে। আর দিনে ২-৩ লিটার পানি খান। পানি লালা তৈরি করে যা মুখের ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে দেয়। চিনি আর আঠালো খাবার কম খান। ৬. জিহ্বা পরিষ্কার করা* জিহ্বার উপরেও প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জমে। ব্রাশ করার সময় জিহ্বাও আলতো করে পরিষ্কার করুন। এতে মুখের দুর্গন্ধও কমবে। কখন ডেন্টিস্টের কাছে যাবেন? বাড়ির যত্ন ২ সপ্তাহ করার পরেও যদি নিচের লক্ষণ থাকে, তাহলে আর দেরি করবেন না: 1. ব্রাশ করলেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া 2. মাড়ি লাল, ফোলা বা দাঁত থেকে সরে যাওয়া 3. মুখে সবসময় দুর্গন্ধ 4. দাঁত নড়ে যাওয়া বা চিবাতে ব্যথা মনে রাখবেন, মাড়ির রোগ একবার হলে পুরোপুরি ভালো হয় না, শুধু নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই প্রতিরোধই সেরা চিকিৎসা। ডা: সানিয়াত তূর্য্য কিশোরগঞ্জ থেকে
💬
Dr. Saniyet Turja
BDS • দন্ত চিকিৎসা
কিশোরগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জ
দাতের প্রতিস্থাপন পদ্ধতি : আসসালামু আলাইকুম, আমি ডা: সানিয়াত তুর্য, কিশোরগঞ্জ থেকে লিখছি। আজকে লিখছি দাতের প্রতিস্থাপন পদ্ধতি নিয়ে, দাতের প্রতিস্থাপন পদ্ধতি মুলত 2 প্রকার, ১.স্থায়ীভাবে প্রতিস্থাপন ( ফিক্সড প্রস্থেসিস) ২.অস্থায়ী প্রতিস্থাপন ( রিমুভেবল পারসিয়াল বা কম্পলিট ডেনঞ্চার)। ৩.আরেকটি এডভান্স ট্রিটমেন্ট হচ্ছে ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট। তবে বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে ফিক্সড প্রস্থেসিস বা ক্রাউনিং/ ডেন্টাল ব্রিজ বা ক্যাপ। এই ক্রাউনিং খুবই জনপ্রিয় একটি চিকিৎসা এর মাধ্যমে সহজেই পাশের দাত থেকে সাপোর্ট নিয়ে হারানো দাত, প্রতিস্থাপন করা যায় অথবা যেসব দাতের শুধু ক্রাউন এর অংশ নস্ট কিন্তু রুট ভালো সেইসব দাত রুট ক্যানাল ট্রিটমেন্ট এবং ক্রাউনিং এর মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যায়। দাতের অবস্থান এবং ফাংশন অনুযায়ী ক্রাউন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, ফুল মেটাল, মেটাল বাইট, মেটাল পোরসেলিন, বা জিরকোনিয়াম ক্রাউন। এছাড়া যাদের মুখে কোন দাত অবশিষ্ট নেই তারা ফুল ডেঞ্চার করে দাত প্রতিস্থাপন করতে পারেন। অতীত তে পারশিয়াল ডেঞ্চার খুবই জনপ্রিয় একটি চিকিৎসা ছিলো কিন্তু এটির আলাদ যত্নের প্রয়োজন হয় এবং ২৪ ঘন্টা ব্যাবহার করা যায়না বিধায় এর প্রতি আকর্ষন এখন অনেক কম। তাই অসময়ে কেউ দাত হারালে আপসেট হওয়ার কিছু নেই, খুব সহজেই বি এম ডি সি রেজিস্ট্রার্ড ডেন্টিস্ট এর কাছ থেকে হারানো দাতের প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। ডা:সানিয়াত তূর্য্য ইশা খা নার্সিং হোম গাইটাল কিশোরগঞ্জ
💬
Dr. Saniyet Turja
BDS • দন্ত চিকিৎসা
কিশোরগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জ
ঘরে বসেই সহজে দাতের যত্ন নেওয়ার উপায় ১. প্রতিদিন ২বার(সকালে এবং রাত্রে ঘুমুতে যাওয়ার আগে) জেল ফর্মের টুথপেষ্ট দিয়ে ব্রাশ করুন। ২. প্রতিদিন মিনিমাম ৩ বার লবন গরম পানিতে কুলি করুন ৩. ২ দাতের মাঝে আটকে থাকা খাদ্য কনা, সুতা বা ডেন্টাল ফ্লস এর সাহায্যে পরিস্কার করুন। ৪. সিগারেট, তামাক, পান জর্দা পরিহার করুন, প্রচুর পানি পান করুন