আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Rajib Chakrabarty। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
যাচাই করা ডাক্তারদের স্বাস্থ্য পরামর্শ
আমি ডাক্তার
আমি পরামর্শ নিতে চাই
লগইন
সাম্প্রতিক পরামর্শ
🎥 জন্ডিস: শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত
আপনার চোখ বা ত্বক হলুদ হয়ে যাচ্ছে? প্রস্রাবের রং গাঢ়? তাহলে এটি জন্ডিসের লক্ষণ হতে পারে।
জন্ডিস নিজে কোনো নির্দিষ্ট রোগ নয়—এটি শরীরে বিলিরুবিন বেড়ে যাওয়ার একটি লক্ষণ। এর কারণ হতে পারে হেপাটাইটিস, লিভারের বিভিন্ন রোগ, পিত্তনালীর সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়া।
জন্ডিস হলে শুধু ঘরোয়া চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা ও লিভার ফাংশন টেস্ট করে কারণ নির্ণয় করা হয়।
আর যদি জন্ডিসের সঙ্গে তীব্র পেটব্যথা, অতিরিক্ত বমি, অচেতনতা, রক্তপাত বা খুব বেশি দুর্বলতা দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
মনে রাখবেন—চোখ হলুদ মানেই শুধু “লিভার দুর্বল” নয়; কারণটা জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এমন স্বাস্থ্যবিষয়ক সহজ তথ্য পেতে ফলো করুন। 🩺
দাঁত ও মাড়ির সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত ব্রাশ করুন এবং বছরে অন্তত দু’বার ডেন্টাল চেকআপ করুন।
মনে রাখবেন—ব্যথা হওয়ার অপেক্ষা নয়, সময়মতো প্রতিরোধই সুন্দর হাসির চাবিকাঠি।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Dil Newaz Al Yamin। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Saifur Rahman। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Tanjum Satter Trisha। আমি এখানে নিয়মিত দন্ত বিষয়ক পরামর্শ দেব। আপনার দাঁতের ও মাড়ির স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম | আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন | সুস্থ থাকার জন্য আমার পক্ষ থেকে আরো কিছু পরামর্শ
. প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবেন না
.নিরাপদ পানি পান করবেন
.প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটবেন
.ঘুমকে প্রাধান্য দিবেন |অতিরিক্ত অথবা অতিমাত্রায় কম ঘুমানো যাবে না
.অতিমাত্রায় অসুস্থ হওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন |খুব বেশি অসুস্থ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না
সবাই ভালো থাকবেন | আসসালামু আলাইকুম
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Jobair। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Md.Abir Hossan। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
বাচ্চার নড়াচড়া খেয়াল রাখা গর্ভবতী মায়েদের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নূন্যতম ১০-১২বার নড়বে। খাওয়ার পর বাম কাত হয়ে শুয়ে নড়াচড়া গুনবে। 😊
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. MD.Rakibul Haque। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. বাসারুল ইসলাম। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আপনার কি রাতে প্রচণ্ড চুলকানি হয়? পরিবারের অন্য সদস্যদেরও কি একই সমস্যা হচ্ছে? তাহলে এটি স্ক্যাবিস হতে পারে।
স্ক্যাবিস হলো একটি ছোঁয়াচে চর্মরোগ, যা Sarcoptes scabiei নামের ক্ষুদ্র মাইটের কারণে হয়।
👉 সাধারণত রাতে চুলকানি বেশি হয়।
👉 আঙুলের ফাঁক, কবজি, কোমর, বগল, যৌনাঙ্গ ও শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে ছোট ছোট দানা বা সুড়ঙ্গের মতো দাগ দেখা যেতে পারে।
এটি ছড়ায় মূলত দীর্ঘক্ষণ ত্বকের সংস্পর্শে এবং একই বিছানা, কাপড় বা তোয়ালে ব্যবহারের মাধ্যমে।
⚠️ শুধু একজনের চিকিৎসা করলে আবার সংক্রমণ হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যদেরও একই সময়ে চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
কাপড়, বিছানার চাদর ও তোয়ালে পরিষ্কার করে ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।
চুলকানি হলেই নিজের মতো ওষুধ ব্যবহার না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সচেতন থাকুন, স্ক্যাবিস প্রতিরোধ করুন।
Dr. M. S. KABIR ( Md Shamsul Kabir )
নতুন
MBBS, Diploma in Child Health ( DCH ) • শিশু রোগ
মোহাম্মদপুর হাউজিং, ঢাকা
নবজাতকের পরিচর্যা :
নবজাতকের সঠিক পরিচর্যা শিশু ও মা দুজনের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম কয়েক সপ্তাহে কিছু মূল বিষযে খেয়াল রাখলে শিশুকে সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখা সম্ভব:
শালদুধ:
জন্মের পরপরই শিশুকে মায়ের শালদুধ (Colostrum) খাওয়ান, যা শিশুর প্রথম টিকা হিসেবে কাজ করে।
শুধু বুকের দুধ:
প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ দিন। এ সময় বাড়তি পানি বা অন্য কোনো খাবারের প্রয়োজন নেই।
ঘন ঘন দুধ খাওয়ানো:
শিশু ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৮–১২ বার অর্থাৎ ২-৩ ঘন্টা অন্তর অন্তর দুধ খাওয়ানো উচিত।
শিশুকে কোলে নিয়ে বসে দুধ খাওয়াবেন।
খাবার পর শিশুর মাথা মায়ের কাধের দিকে রেখে লম্বালম্বি ভাবে কোলে নিয়ে শিশুর পিঠে আস্তে আস্তে থাপড় দিয়ে ঢেকুর বের করার চেষ্টা করবেন।
নাভির যত্ন
নাভি সব সময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
নাভিতে তেল, হলুদ বা কোনো মলম লাগাবেন না।
নাভি সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে আপনাতেই শুকিয়ে পড়ে যায়।
গোসল ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:
জন্মের অন্তত ৭২ ঘণ্টা (৩ দিন) পর প্রথম গোসল দেওয়াই উত্তম, যাতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে।
হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন এবং সপ্তাহে ২–৩ দিনের বেশি গোসল না দেওয়াই ভালো।
প্রতিদিন সুতি ভেজা কাপড় দিয়ে শিশুর শরীর মুছে দিতে পারেন।
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও পোশাক:
শিশুকে আরামদায়ক ও নরম সুতি পোশাক পরান।
অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে ঘরের তাপমাত্রা সহনশীল রাখুন।
ঘুম ও নিরাপত্তা:
শিশুকে উপুড় করে হাটু ও হিপ জয়েন্ট ভাজ করে পেটের নিচে দিয়ে (Knee chest positions)ঘুম পারিয়ে দেবেন।
শোয়ার স্থানে অতিরিক্ত কোলবালিশ, ভারী কম্বল বা নরম খেলনা রাখবেন না।
বিপদ চিহ্ন (জরুরি লক্ষণ):
শিশু ভালো ভাবে চুষে দুধ না খেলে,
প্রচণ্ড জ্বর বা শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে,
খুব দ্রুত শ্বাস নিলে,
শরীরের রং বেশী হলুদ হয়ে জন্ডিসের লক্ষণ দেখা দিলে কিংবা
নাভি থেকে পুঁজ/রক্ত পড়লে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
সুস্থ থাকার সহজ কিছু অভ্যাস
🌿 সুস্থ থাকতে সবসময় ওষুধের প্রয়োজন হয় না—সঠিক জীবনযাপনই অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।
✅ প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✅ শাকসবজি ও ফলমূল নিয়মিত খান
✅ অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
✅ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করুন
✅ পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক বিশ্রাম নিন
✅ ধূমপান ও তামাকজাতীয় পণ্য পরিহার করুন
✅ নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ খাবেন না
✅ কোনো শারীরিক সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
মনে রাখবেন—রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ❤️
— ডা. শুভ্রদেব সাহা
গরমের তীব্রতায় অতিরিক্ত ঘামানোর ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয় যার ফলে প্রস্রাব এ ইনফেকশন সহ নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে তাই এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Md. Ariful Islam। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
দাতের প্রতিস্থাপন পদ্ধতি :
আসসালামু আলাইকুম, আমি ডা: সানিয়াত তুর্য, কিশোরগঞ্জ থেকে লিখছি। আজকে লিখছি দাতের প্রতিস্থাপন পদ্ধতি নিয়ে,
দাতের প্রতিস্থাপন পদ্ধতি মুলত 2 প্রকার, ১.স্থায়ীভাবে প্রতিস্থাপন ( ফিক্সড প্রস্থেসিস) ২.অস্থায়ী প্রতিস্থাপন ( রিমুভেবল পারসিয়াল বা কম্পলিট ডেনঞ্চার)।
৩.আরেকটি এডভান্স ট্রিটমেন্ট হচ্ছে ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট।
তবে বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে ফিক্সড প্রস্থেসিস বা ক্রাউনিং/ ডেন্টাল ব্রিজ বা ক্যাপ।
এই ক্রাউনিং খুবই জনপ্রিয় একটি চিকিৎসা
এর মাধ্যমে সহজেই পাশের দাত থেকে সাপোর্ট নিয়ে হারানো দাত, প্রতিস্থাপন করা যায় অথবা যেসব দাতের শুধু ক্রাউন এর অংশ নস্ট কিন্তু রুট ভালো সেইসব দাত রুট ক্যানাল ট্রিটমেন্ট এবং ক্রাউনিং এর মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যায়।
দাতের অবস্থান এবং ফাংশন অনুযায়ী ক্রাউন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, ফুল মেটাল, মেটাল বাইট, মেটাল পোরসেলিন, বা জিরকোনিয়াম ক্রাউন।
এছাড়া যাদের মুখে কোন দাত অবশিষ্ট নেই তারা ফুল ডেঞ্চার করে দাত প্রতিস্থাপন করতে পারেন। অতীত তে পারশিয়াল ডেঞ্চার খুবই জনপ্রিয় একটি চিকিৎসা ছিলো কিন্তু এটির আলাদ যত্নের প্রয়োজন হয় এবং ২৪ ঘন্টা ব্যাবহার করা যায়না বিধায় এর প্রতি আকর্ষন এখন অনেক কম।
তাই অসময়ে কেউ দাত হারালে আপসেট হওয়ার কিছু নেই, খুব সহজেই বি এম ডি সি রেজিস্ট্রার্ড ডেন্টিস্ট এর কাছ থেকে হারানো দাতের প্রতিস্থাপন করা সম্ভব।
ডা:সানিয়াত তূর্য্য
ইশা খা নার্সিং হোম গাইটাল কিশোরগঞ্জ
নিয়মিত হাটুন, পরিস্কার পানি পান করুন।হাটার বিকল্প নাই।পুষ্টিকর খাবার খান।সকালে হাল্কা রোদে ঘুরুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Mehjabin। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।