হ্যালোডক্টর
Dr. M. S. KABIR ( Md Shamsul Kabir )
MBBS, Diploma in Child Health ( DCH ) • শিশু রোগ
মোহাম্মদপুর হাউজিং, ঢাকা
নবজাতকের পরিচর্যা : নবজাতকের সঠিক পরিচর্যা শিশু ও মা দুজনের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম কয়েক সপ্তাহে কিছু মূল বিষযে খেয়াল রাখলে শিশুকে সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখা সম্ভব: শালদুধ: জন্মের পরপরই শিশুকে মায়ের শালদুধ (Colostrum) খাওয়ান, যা শিশুর প্রথম টিকা হিসেবে কাজ করে। শুধু বুকের দুধ: প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ দিন। এ সময় বাড়তি পানি বা অন্য কোনো খাবারের প্রয়োজন নেই। ঘন ঘন দুধ খাওয়ানো: শিশু ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৮–১২ বার অর্থাৎ ২-৩ ঘন্টা অন্তর অন্তর দুধ খাওয়ানো উচিত। শিশুকে কোলে নিয়ে বসে দুধ খাওয়াবেন। খাবার পর শিশুর মাথা মায়ের কাধের দিকে রেখে লম্বালম্বি ভাবে কোলে নিয়ে শিশুর পিঠে আস্তে আস্তে থাপড় দিয়ে ঢেকুর বের করার চেষ্টা করবেন। নাভির যত্ন নাভি সব সময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন। নাভিতে তেল, হলুদ বা কোনো মলম লাগাবেন না। নাভি সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে আপনাতেই শুকিয়ে পড়ে যায়। গোসল ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: জন্মের অন্তত ৭২ ঘণ্টা (৩ দিন) পর প্রথম গোসল দেওয়াই উত্তম, যাতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে। হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন এবং সপ্তাহে ২–৩ দিনের বেশি গোসল না দেওয়াই ভালো। প্রতিদিন সুতি ভেজা কাপড় দিয়ে শিশুর শরীর মুছে দিতে পারেন। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও পোশাক: শিশুকে আরামদায়ক ও নরম সুতি পোশাক পরান। অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে ঘরের তাপমাত্রা সহনশীল রাখুন। ঘুম ও নিরাপত্তা: শিশুকে উপুড় করে হাটু ও হিপ জয়েন্ট ভাজ করে পেটের নিচে দিয়ে (Knee chest positions)ঘুম পারিয়ে দেবেন। শোয়ার স্থানে অতিরিক্ত কোলবালিশ, ভারী কম্বল বা নরম খেলনা রাখবেন না। বিপদ চিহ্ন (জরুরি লক্ষণ): শিশু ভালো ভাবে চুষে দুধ না খেলে, প্রচণ্ড জ্বর বা শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে, খুব দ্রুত শ্বাস নিলে, শরীরের রং বেশী হলুদ হয়ে জন্ডিসের লক্ষণ দেখা দিলে কিংবা নাভি থেকে পুঁজ/রক্ত পড়লে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
💬

⚠ ব্যক্তিগত সমস্যা বা উপসর্গ এখানে লিখবেন না — এটি সবাই দেখতে পাবে। চিকিৎসার জন্য চেম্বারে দেখান।

মন্তব্য করতে লগইন করতে হবে — পাঠালে লগইন পাতায় যাবেন, তারপর এখানেই ফিরে আসবেন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

← ফিরে যান