🦟 ডেংগু মৌসুমে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা জরুরি
ডেংগু হলে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে অবহেলা করাও যাবে না।
•জ্বর হলে পর্যাপ্ত পানি, ORS, স্যুপসহ তরল খাবার গ্রহণ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। জ্বর ও শরীর ব্যথার জন্য সাধারণত প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যায়।
❌ নিজে থেকে ibuprofen, aspirin, diclofenac, naproxen বা অন্যান্য NSAID painkiller খাবেন না—এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
❌ নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড বা তথাকথিত “ডেংগুর বিশেষ ওষুধ” শুরু করবেন না।
🩸 শুধু platelet কমেছে বলেই আতঙ্কিত হবেন না। Platelet count একা রোগীর অবস্থা নির্ধারণ করে না এবং কখন platelet দিতে হবে, তা চিকিৎসক রোগীর সামগ্রিক অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নেন।
⚠️ বিশেষভাবে সতর্ক থাকুন জ্বর কমে যাওয়ার পর। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, নাক/মাড়ি দিয়ে রক্তপাত, রক্তবমি বা কালো পায়খানা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা/অস্থিরতা, ঠান্ডা-ফ্যাকাশে হাত-পা, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা অচেতন/বিভ্রান্ত হয়ে গেলে দেরি না করে হাসপাতালে যান।
🦟 আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ডেংগু রোগীকে মশার কামড় থেকে রক্ষা করুন, কারণ আক্রান্ত রোগী থেকে মশার মাধ্যমে অন্য মানুষ সংক্রমিত হতে পারে।
মনে রাখবেন: ডেংগুতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পর্যাপ্ত তরল, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং বিপদের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো।
সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ডেংগু প্রতিরোধে নিজের পাশাপাশি পরিবার ও প্রতিবেশীকেও সচেতন করুন।
Dr. Sabrina Yasmin
MBBS(DU)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।