পরামর্শ

জেনারেল ফিজিশিয়ান · বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা · ২০ দিন আগে
গর্ভাবস্থায় নিচে উল্লেখিত লক্ষণ বা বিপদচিহ্নগুলোর (Danger Signs) যেকোনো একটি দেখা মাত্রই কোনো বিলম্ব না করে গর্ভবতী মাকে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে বা জরুরি বিভাগে নিয়ে যেতে হবে: গর্ভবতী মায়ের প্রধান বিপদচিহ্নসমূহ যোনিপথে রক্তপাত: গর্ভাবস্থার যেকোনো সময়ে (কম বা বেশি) যোনিপথে রক্তস্রাব হওয়া। খিঁচুনি (Eclampsia): প্রসবের আগে, প্রসবের সময় বা প্রসবের পরে শরীর শক্ত হয়ে খিঁচুনি উঠা। অতিরিক্ত ও তীব্র মাথাব্যথা এবং চোখে ঝাপসা দেখা: উচ্চ রক্তচাপ বা প্রি-এক্লাম্পসিয়ার (Pre-eclampsia) লক্ষণ, যার সাথে ওপর পেটে (ডানপাশে) তীব্র ব্যথা থাকতে পারে। তীব্র জ্বর: কাঁপনি দিয়ে বা না দিয়ে দীর্ঘসময় প্রচণ্ড জ্বর থাকা (ইনফেকশন বা সংক্রমণের লক্ষণ)। গর্ভস্থ শিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া: ২৪ ঘণ্টায় শিশুর নড়াচড়া স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম অনুভব হওয়া (সাধারণত ১২ ঘণ্টায় ১০ বারের কম নড়লে) বা একদম বন্ধ হয়ে যাওয়া। প্রসব ব্যথার আগেই ভাঙা জল বা তরল বের হওয়া: মেমব্রেন ফেটে যোনিপথ দিয়ে অনবরত পানি বা তরল নির্গত হওয়া। বিলম্বিত বা কঠিন প্রসব (Obstructed/Prolonged Labour): ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে প্রচণ্ড প্রসব ব্যথা থাকা কিন্তু বাচ্চা প্রসব না হওয়া। অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতি (যাতে হাসপাতালে যাওয়া প্রয়োজন) প্রচণ্ড এবং অনবরত বমি হওয়া (কিছুই পেটে না থাকা)। হাত-পা ও মুখ হঠাৎ অতিরিক্ত ফুলে যাওয়া। তীব্র তলপেটে ব্যথা বা পিঠের নিচের দিকে ব্যথা হওয়া। প্রচণ্ড ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট বা বুক ধড়ফড় করা (তীব্র রক্তস্বল্পতার লক্ষণ)।
২৯৮২ বার দেখা উপকারী · মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করতে হবে — পাঠালে লগইন পাতায় যাবেন, তারপর এখানেই ফিরে আসবেন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

← ফিরে যান

অ্যাপ হিসেবে ইনস্টল করুন নোটিফিকেশন পেতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন