হামের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নজর রাখতে হয় সেকেন্ডারি কমপ্লিকেশন বা জটিলতার ওপর, বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে।
কখন জরুরি পরামর্শ নিতে হবে (Red Flags)
অভিভাবকদের নিচের লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন করতে হবে, যা জটিলতার ইঙ্গিত দেয়:
• শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া: এটি নিউমোনিয়ার (হামের প্রধান মৃত্যুর কারণ) লক্ষণ হতে পারে।
• অতিরিক্ত পানিশূন্যতা: দীর্ঘসময় প্রস্রাব না হওয়া বা কান্নার সময় চোখের পানি না আসা।
• নিস্তেজ ভাব বা অতিরিক্ত ঘুম: এনসেফালাইটিসের (Encephalitis) সম্ভাবনা যাচাই করতে হবে।
• ক্রমাগত উচ্চমাত্রার জ্বর: ৫-৬ দিনের বেশি জ্বর থাকলে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হয়েছে কিনা তা দেখা প্রয়োজন।
• চোখ থেকে পুঁজ আসা: এটি কনজাংটিভাইটিসের জটিলতা নির্দেশ করে।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ (Infection Control)
আইসোলেশন: সংক্রমণের তীব্র পর্যায়ে (র্যাশ ওঠার পর অন্তত ৪-৫ দিন) আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা জরুরি।
• পার্সোনাল হাইজিন: হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু বা রুমাল ব্যবহার এবং হাত ধোয়ার অভ্যাসের ওপর জোর দেওয়া।
প্রতিরোধ (Prevention)
• টিকা নিশ্চিতকরণ: এমআর (MR) বা এমএমআর (MMR) টিকা হাম প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায়।
৬৬২৫ বার দেখা০ উপকারী · ০ মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।