বাচ্চা কবে হবে, শুধু এইটুকু জানার বিষয় না
গর্ভের খবর জানার পর সবার প্রথম প্রশ্নটাই থাকে, কবে হবে। কিন্তু এই তারিখটার গুরুত্ব আরো অনেক বেশি।
গর্ভাবস্থার পুরো চিকিৎসাটাই আসলে সময়ের হিসাব। কোন সপ্তাহে কোন চেকআপ, কখন কোন পরীক্ষা, কখন আল্ট্রাসাউন্ড, সব নির্ভর করে আপনি এখন ঠিক কত সপ্তাহে আছেন তার উপর।
আমাদের এখানে অনেক পরিবারেই এই হিসাবটা আন্দাজে চলে। "তিন মাস মতো চলতেছে" বা "শীতের দিকে হবে" এভাবে। তাতে চেকআপগুলোও সময়মতো হয় না।
হিসাবটা হয় কীভাবে
শেষবার যেদিন মাসিক শুরু হয়েছিল, সেই তারিখ থেকে ২৮০ দিন যোগ করলে সম্ভাব্য তারিখ পাওয়া যায়। এখানে একটা জায়গায় অনেকে ভুল করেন, মাসিক শুরুর তারিখ লাগবে, শেষ হওয়ার না।
আর এটা সম্ভাব্য তারিখ, ঠিক ওইদিনই হবে এমন না। আশপাশের দুই সপ্তাহ স্বাভাবিক ধরা হয়।
একটা কথা আলাদা করে বলা দরকার
প্রথম চেকআপটা ১২ সপ্তাহের মধ্যে করানো দরকার। কিন্তু আমাদের এখানে অনেকের প্রথম চেকআপ হয় ২০ সপ্তাহের কাছাকাছি গিয়ে।
অথচ প্রথম তিন মাসেই বাচ্চার প্রধান অঙ্গগুলো তৈরি হয়। এই সময়ের পরামর্শটাই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। আর এই সময়ে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না, ফার্মেসি থেকে নিজে কিনেও না।
যেসব লক্ষণে রাত হোক দিন হোক, সাথে সাথে হাসপাতালে
রক্তক্ষরণ, তীব্র মাথাব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখা, খিঁচুনি, জ্বর, পেটে তীব্র ব্যথা, মুখ হাত পা হঠাৎ ফুলে যাওয়া, বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া।
আমাদের সাইটে একটা ফ্রি টুল আছে। শেষ মাসিকের প্রথম দিনের তারিখটা দিলেই সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ, এখন কত সপ্তাহ চলছে, আর কোন চেকআপ কবে পড়বে সব বের হয়ে আসবে। চাইলে ছবি হিসেবে সেভ করে রাখতে পারবেন।
তারিখগুলো পেয়ে ফোনের ক্যালেন্ডারে বসিয়ে রাখলে আর ভুল হবে না।
এটা শুধু সচেতনতার জন্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। সব সিদ্ধান্ত ডাক্তারের পরামর্শেই নিবেন।
#গর্ভাবস্থা #মাতৃস্বাস্থ্য #চেকআপ #স্বাস্থ্যসচেতনতা
৮৭৭৬ বার দেখা০ উপকারী · ০ মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।