🦟 খুলনায় ডেঙ্গু বাড়ছে, হাসপাতালগুলোতেও বাড়ছে চাপ 🦟
“জ্বর হয়েছে, একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে”
এই কথাটা এখন আর হেলাফেলা করার সময় নয়।
খুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আগস্ট মাসে খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন প্রায় ৩,৮০০… জন, যা জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় তিনগুণ। রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালগুলোতেও দেখা দিয়েছে শয্যাসংকট।
তাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি অসুস্থ হওয়া থেকে নিজেকে ও পরিবারকে রক্ষা করা।
বাড়ির আশপাশে কোথাও পানি জমে আছে কি না প্রতিদিন খেয়াল করুন। ফুলের টব, বালতি, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, ছাদ, বারান্দা কিংবা অন্য কোনো জায়গায় জমে থাকা পানি ফেলে দিন। মনে রাখবেন, একটি ছোট পানির পাত্রও এডিস মশার প্রজননস্থল হতে পারে।
জ্বর হলে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে জ্বরের সঙ্গে প্রচণ্ড শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি, দুর্বলতা বা র্যাশ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আর একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ডেঙ্গুতে জ্বর কমে গেলেই বিপদ শেষ হয়ে যায় না। জ্বর কমার পরের সময়টিও সতর্কতার সঙ্গে পার করতে হয়। পেটে তীব্র ব্যথা, বারবার বমি, নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, অস্থিরতা, শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনো বিপজ্জনক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যান।
নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
হাসপাতালে জায়গা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করার চেয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আজ থেকেই সচেতন হওয়া অনেক ভালো।
আজ নিজের বাড়ির চারপাশটা ১০ মিনিট দেখে নিন।
হয়তো সেই ১০ মিনিটই আপনার পরিবারের একজন প্রিয় মানুষকে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা করতে পারে। ❤️
**ভয় নয়, অবহেলাও নয়।
সচেতন হোন, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করুন, নিজে বাঁচুন, পরিবারকেও নিরাপদ রাখুন।** আরও দেখুন
৩১৬৫ বার দেখা০ উপকারী · ০ মন্তব্য